Blog
নন্দিনী রায়

নন্দিনী রায়ের কবিতা
এভাবে চলে যেতে নেই খসে পড়ে মুঠো, ছেড়ে যায় মায়া পথ অকালের ডাকে এসেছে স্বর্ণরথ ভাষাহীন চোখ সোহাগ-আত্মজা আর ‘নেই’ হয়ে যাওয়া লাল নীল সংসার। ছেড়ে চলে যাওয়া এতটা জরুরি ছিল! জীবনের দায়ে নেই কি অন্ত্যমিল ও! বিছানা বালিশে এখনো শরীরী ঘ্রাণ বারান্দা-টবে জুঁইয়েরা হয়নি ম্লান। আলমারি জুড়ে এলোমেলো জামা, শাড়ি অপেক্ষা আছে, কখন আসবে বাড়ি রান্নাঘরের তাক, বাসনেরা যত আঁশ-বটি আর মসলা কৌটো তত। আয়নায় জমা তোমার হাতের ছাপ দেওয়ালের গায়ে মেয়ের দৈর্ঘ্য মাপ প্রতিটি কোনে তোমরাই আছো ভরে চলে যেতে নেই, এভাবে এমন করে! ফিরে এসো তুমি মিথ্যে স্বপ্ন ভেবে আমরাও নেবো,যেটুকু ফিরিয়ে দেবে। বিধির বিধান জোর করে ঠেলে দিয়ে ফিরে এসো তুমি, সমস্তটুকু নিয়ে… জানি না কোন সে অশ্রুত অভিমানে ফিরবে না তুমি জীবনের এই গানে শুধু জেনে রেখো, যাকে ছেড়ে গেলে তুমি, আজ থেকে হলো, ‘ছায়ানট’ তার ভূমি। |
Related Posts
ভুল স্বর্গ
গল্প - ভুল স্বর্গ
লেখক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
বেহাগ
গল্প- বেহাগ
লেখক - সৌভিক গুহ সরকার
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
রন্ধনশালা
গল্প- রন্ধনশালা
লেখক - বাসুদেব দাশগুপ্ত
পাঠ করছে - পলাশ দে
সম্পাদকীয়
গত কয়েক বছরে কত শিল্পীকেই না হারালো বাংলা ভাষা। কতবার অনুতাপ করেছি আমরা। কতবার বিস্ময়ে হতচকিত হয়েছি। স্তব্ধ হয়েছি অবাধ স্মৃতিগুলির সৌধ হয়ে ওঠায়।
পল্লব গঙ্গোপাধ্যায়
"পাথরের ফুল" ---ধ্রুপদি অথচ স্বতন্ত্র এক নির্মাণ
একটা এলিজি বা শোক-গাথা বা শোক-কবিতা কেন লেখা হয়? অবদমিত শোকের ক্যাথারসিস? শিল্পশীলিত পথে অবরুদ্ধ বিষাদের শান্তায়ন? মৃত্যুর অনিবার্যতাকে মেনে নিয়ে এবং দুঃখবোধের সংপৃক্তিকে স্পর্শ করে অবশেষে প্রাণের উজ্জীবন? নাকি ব্যক্তিগত শোককে আশ্রয় করে বৃহত্তর এক সর্বজনীন দুঃখের আবহকে ছুঁতে চাওয়ার চেষ্টা করা? হয়তো এককথায় উত্তর হওয়া উচিত এলিজির উদ্দিষ্ট একসাথে সবগুলোই।
অবন্তিকা পাল
এলিজি
এত অহমিকা এত আয়োজন
হাহা চিৎকারে ওই ওরা যায়
মিছিল তো নয় সারি সারি মাথা
ক্ষমতার পায়ে সব অবনত
অর্ঘ্য রায়চৌধুরী
শঙ্খ ঘোষ : শ্রদ্ধাভাজনেষু
কে শেখাবে এরপর প্রান্তরে
দুলে ওঠা শষ্যের ভাষা
কে দেখাবে অন্ধকারের বুকে
অমিত চক্রবর্তী
সে এখন মৃত্যু নিয়ে নিরাপদ, নিশ্চিন্ত
ছবিটা পাঠিয়েছিল সে অ্যালবাম থেকে ছিঁড়ে—
চারদিকে তখন বরফের আস্তরণ, কথাগুলি
ঢাকা পড়ে যায় অসঙ্গতির মোহে। ফাঁক ফোকর থেকে
আমরা তখন দুরাশা কুড়িয়ে বেড়াই। কেঁপেছিল কি হাত তার
অরুণ কুমার দাঁ
ধূপের দীর্ঘশ্বাস
প'ড়ে আছে অক্ষর, তুমি নেই!
শব্দ খোঁজে তোমাকে
সারাদিন কেঁদে যাচ্ছে, শ্রাবণ মেঘ
বিদিশা সরকার
এলিজি
শুধু দূর ভাবি, কতদূর? কতদূর গেলে তবে
লেভেল ক্রসিঙে থামা দুরন্ত রাত
কোন সিগন্যালে থেমে গেছ, বাইরে জোনাকি রাত
চিরশ্রী দেবনাথ
কবিপত্নী
শহরে স্মরণসভা, ব্যথাকাতরতা
সেই স্মরণসভায় স্ত্রীদের যেতে নেই
কেউ এসে বলবে কবি তার খুব কাছের ছিল,
দেবাশিস ঘোষ
দিদিমাকে
তোমার সর্বহারা কাঁথায় রেখেছ হিরের মতো দুঃখী আমাকে
বলেছ ব্যাঙের কথা বিধবার একটিই ধন,
কুমীর থেকে ফের মানুষ না হতে পারা নদের চাঁদ
অসাধারন