Blog
অমিত চক্রবর্তী

অমিত চক্রবর্তীর কবিতা
সে এখন মৃত্যু নিয়ে নিরাপদ, নিশ্চিন্ত ছবিটা পাঠিয়েছিল সে অ্যালবাম থেকে ছিঁড়ে— চারদিকে তখন বরফের আস্তরণ, কথাগুলি ঢাকা পড়ে যায় অসঙ্গতির মোহে। ফাঁক ফোকর থেকে আমরা তখন দুরাশা কুড়িয়ে বেড়াই। কেঁপেছিল কি হাত তার এ ছবি পাঠাতে, উত্তরমেরুতে তো আজ মৃত্যুর কম্পাস, বিষণ্ণতা পাবে যে দিকেই হাঁটো, একাকিত্বের সর্বসম রূপ। নতুন পন্থা নিতে হয় তাকে, ঝুরো ঝুরো করে উড়িয়ে দেয় সে বাইনারি দুঃখ, উঁচু গেলাস শ্যাম্পেনে জড়ায় জানাশোনা মৃত্যুর ফলস পসিটিভ। নতুন বছর যদি ফিরে আসে, যদি জেদ করে আরো কয়েকটা ঘন স্বপ্নের। আমি বেদনার স্ক্রিন রিফ্রেশ করি বারবার, মামড়ি পড়ে গেছে আমাদের ফ্যান্টাসির ছালে, অক্ষরে, চুমটির খোসায়–নিরাপদ, নিশ্চিন্ত সে এখন মৃত্যু নিয়ে, মনে পিছুটান থাকলে এ ছবি পাঠাতে হাত কাঁপতো। |
Related Posts
ভুল স্বর্গ
গল্প - ভুল স্বর্গ
লেখক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
বেহাগ
গল্প- বেহাগ
লেখক - সৌভিক গুহ সরকার
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
রন্ধনশালা
গল্প- রন্ধনশালা
লেখক - বাসুদেব দাশগুপ্ত
পাঠ করছে - পলাশ দে
সম্পাদকীয়
গত কয়েক বছরে কত শিল্পীকেই না হারালো বাংলা ভাষা। কতবার অনুতাপ করেছি আমরা। কতবার বিস্ময়ে হতচকিত হয়েছি। স্তব্ধ হয়েছি অবাধ স্মৃতিগুলির সৌধ হয়ে ওঠায়।
পল্লব গঙ্গোপাধ্যায়
"পাথরের ফুল" ---ধ্রুপদি অথচ স্বতন্ত্র এক নির্মাণ
একটা এলিজি বা শোক-গাথা বা শোক-কবিতা কেন লেখা হয়? অবদমিত শোকের ক্যাথারসিস? শিল্পশীলিত পথে অবরুদ্ধ বিষাদের শান্তায়ন? মৃত্যুর অনিবার্যতাকে মেনে নিয়ে এবং দুঃখবোধের সংপৃক্তিকে স্পর্শ করে অবশেষে প্রাণের উজ্জীবন? নাকি ব্যক্তিগত শোককে আশ্রয় করে বৃহত্তর এক সর্বজনীন দুঃখের আবহকে ছুঁতে চাওয়ার চেষ্টা করা? হয়তো এককথায় উত্তর হওয়া উচিত এলিজির উদ্দিষ্ট একসাথে সবগুলোই।
অবন্তিকা পাল
এলিজি
এত অহমিকা এত আয়োজন
হাহা চিৎকারে ওই ওরা যায়
মিছিল তো নয় সারি সারি মাথা
ক্ষমতার পায়ে সব অবনত
অর্ঘ্য রায়চৌধুরী
শঙ্খ ঘোষ : শ্রদ্ধাভাজনেষু
কে শেখাবে এরপর প্রান্তরে
দুলে ওঠা শষ্যের ভাষা
কে দেখাবে অন্ধকারের বুকে
অরুণ কুমার দাঁ
ধূপের দীর্ঘশ্বাস
প'ড়ে আছে অক্ষর, তুমি নেই!
শব্দ খোঁজে তোমাকে
সারাদিন কেঁদে যাচ্ছে, শ্রাবণ মেঘ
বিদিশা সরকার
এলিজি
শুধু দূর ভাবি, কতদূর? কতদূর গেলে তবে
লেভেল ক্রসিঙে থামা দুরন্ত রাত
কোন সিগন্যালে থেমে গেছ, বাইরে জোনাকি রাত
চিরশ্রী দেবনাথ
কবিপত্নী
শহরে স্মরণসভা, ব্যথাকাতরতা
সেই স্মরণসভায় স্ত্রীদের যেতে নেই
কেউ এসে বলবে কবি তার খুব কাছের ছিল,
দেবাশিস ঘোষ
দিদিমাকে
তোমার সর্বহারা কাঁথায় রেখেছ হিরের মতো দুঃখী আমাকে
বলেছ ব্যাঙের কথা বিধবার একটিই ধন,
কুমীর থেকে ফের মানুষ না হতে পারা নদের চাঁদ
এলা বসু
অবেলার ঘুম
একটা ভারী ও শীতল কালো পর্দা নেমে আসে
আমরা উঠে পড়ি সন্তর্পনে
এ ওর মুখের দিকে চাই